Showing posts with label কাদের মোল্লা. Show all posts
Showing posts with label কাদের মোল্লা. Show all posts

Saturday, January 4, 2014

চেতনার বড়ি এনে দিল সেই কাংখিত দড়িঃ

অনেক দেড়ি হলেও কাদের মোল্লার ফাঁসি বিষয়ক কলাম লিখতে পেরে ভালো লাগছে।যদিও জামাত শিবির তার মৃত্যুদন্ডকে হত্যা বলছে। কিন্তু আমি বলব হত্যা হোক আর মৃত্যুদন্ড হোক জামাত মারা যাওয়ার মানে হল আমার চেতনার প্রশান্তি। তাইতো আজ আমার মনে হচ্ছে অনেকদিন পর নিচ্ছি বুক ভরে চেতনার অক্সিজেন। তার এই ফাঁসির দড়ির চেতনার আগুনে যে ঘি ঢেলে দিয়েছ তোমারাই,হে প্রজন্ম। 

তার মৃত্যুর ফটো পত্রিকায় দেখলাম। সায়ানোসিসে রাঙ্গানো তার মুখ। কিন্তু নেই টাঙ্গ ডেভিয়েশন।আমি অবাক হয়েছি, একজন রাজাকার কিভাবে এত সুখের মরণ নিতে পারে!!!
সাধারনত, হ্যাংগিঙ্গে মরণের পর টাঙ্গ ডেভিয়েশন হবে, ব্লিডিং হবে নাকে মুখে। কিন্তু এ কি দেখলাম!!!তার সেসব নেই। তাহলে কি জল্লাদের চেতনার মরণ হল সেখানে!!!! নাকি অলৌকিকতার সাথে জামাত-শিবিরের আতাত!!!

হত্যা কিংবা মৃত্যুদন্ড যেটাই হোক কিংবা হোক আরও অদৃশ্যতার খেলা, স্বাধীন বাংলায় জামাতের কারো পরলোকগমন মানেই চেতনার পতাকা পতপত করে উড়া।

চাইনা দেখিতে এমন মধুর মরণ যেমন দেখেছি ঐ কাদের
চেতনা দিয়ে তেতুল খেয়ে রুখতে হবে তাদের ।

তোমরা যারা আমাকে চেতনা নিয়ে প্রশ্ন করো

এবারের বিজয় দিবসটা অনেক ভালোভাবে কেটেছে ।১৬ কোটি বাঙালী এবার কাদের মোল্লা মুক্ত বিজয় দিবস উদযাপন করেছে ।এবার আমিও অনেক উত্‍ফুল্ল ছিলাম ।আবেগে ১৫ ডিসেম্বর ঘুমাতে পারিনি ।সারারাত আবেগে কেঁদেছি ।কারণ আমি জানি ,কাদের মোল্লা মুক্ত হওয়ার ফলে দেশ কি হবে ।দেশ অচিরেই সিঙ্গাপুর হয়ে যাবে ।

১৬ ডিসেম্বর সারাদিন অনেক ব্যস্ত ছিলাম ।রাতে আমি কিছু সময় শিশুদের দেই ।আমি শিশুদের মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনালাম ।শিশুরা মুক্তিযোদ্ধাদের গল্প শুনে আমাকে বললো ,স্যার আমাদের জন্ম একাত্তরে হলো না কেন?একাত্তরে জন্ম হলে আমরাও যুদ্ধে যেতাম । শিশুদের এরকম আবেগপূর্ন প্রশ্নে আমি কেঁদে ফেললাম ।চেতনা আমাকে কাঁদায় ,চেতনা আমাকে হাসায় ,চেতনা স্বপ্ন দেখায় ।এসময় একটি শিশু আমাকে বললো ,স্যার আপনি যুদ্ধে যান নি কেন?
আমি প্রশ্ন শুনেই ধারনা করলাম নিষ্পাপ শিশুটিকে হয়তো কোন শিবির ব্রেইনওয়াশ করেছে ।তারপরেও উত্তরে বললাম ,আমি যদি যুদ্ধে যেতাম তাহলে রাজাকাররা আমাকে মেরে ফেলতো ।আর আমি মরে গেলে তোমাদের চেতনার বাণী কে শোনাতো?